রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৩

এগ-চিকেন-ভেজিটেবল ফ্রাইড রাইস [উইথ বোনাস প্যাক]

এই রেসিপিতে একেবারে হাতের কাছে সহজলভ্য আইটেমগুলো দিয়ে রান্না করা হয়েছে, আশা করি ভালো লাগবে।

উপকরণঃ
✎ আতপ চাল ২ পট (রাইস কুকারের পট)
✎ পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
✎ কাঁচা মরিচ ৫/৬টি
✎ গাজর কুচি দেড় কাপ
✎  বরবটি হাফ কাপ
✎ বাঁধা কপি কুচি দেড় কাপ
✎ হাড় ছাড়া মুরগীর মাংস-টুকরো করে কাটা ১ কাপ

Share/Bookmark

শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

প্রবাসের রান্নাঘরঃ ডিম ডাল



অনেকদিন পর আবার প্রবাসে, তাই পেটের খাবার জোগান দিতে রান্নাঘরে হাজির। ফলশ্রুতিতে প্রবাসের রান্নাঘর সিরিজের আবার পুনর্জন্ম হল। আজ আপনাদের জন্য একটা স্পেশাল আইটেমের রান্না নিয়ে আসলাম। শাশুড়ীর হাতের এই রান্নার স্বাদ এখনও মুখে লেগে আছে, বউ এর এই আইটেমও জোশ। এবার আমিও আমার মত করে রান্না করলাম।


Share/Bookmark

শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১২

অপেশাদার রান্নাঘরঃ মোরগ/মুরগীর পোলাও ও সবজি

 অনেকদিন পর আবার রান্নার সুযোগ পেলাম। আর বর্তমানে দেশে অবস্থান করা সিরিজের নামটাও বদলে দিলাম। যেহেতু আমি পেশাদার রান্না-বান্নার লোক নই তাই "অপেশাদার রান্নাঘর"-এই নামটাই সিরিজের জন্য যুতসই মনে হলে। এবার রান্না শুরু করা যাক।
 প্রথমে মোরগ পোলাও এর ফিরিস্তিঃ

 যা যা লাগবেঃ 
 ☛ সাইজ মত কয়েকটুকরো মুরগীর মাংস
☛ আদা+রসুন পেষ্ট
☛ তেল-লবন-পেয়াজ-মসলা-কাঁচা মরিচ-টমেটো
☛ সামান্য দই [না হলেও সমস্যা নেই]
☛ পোলাও এর চাল [পরিমানমত]
☛ ধনে পাতা হলে ভালো হয়
☛ আটা/ময়দার পেষ্ট

প্রণালীঃ
প্রথমে মাংসের টুকরোগুলোকে ভালো করে ধুয়ে আদা-রসুন পেষ্ট মাখিয়ে নিন, মাংসের জন্য প্রয়োজন মত লবন মাখিয়ে সাদা দই ঢেলে দিন। সবগুলো একসাথে এমন ভাবে মাখিয়ে নিন যেন মাংসের সবখানেই এই মিশ্রণ লেগে থাকে। এবার ফ্রিজে ২/৩ঘন্টা রাখুন।

Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ কালোজামের রেসিপি

উপকরণঃ
১. ছানা ১ কাপ
২. মাওয়া আধা কাপ
৩. ময়দা আধা কাপ
৪. ঘি ২ টেবিল চামচ
৫. গুঁড়া চিনি ১ টেবিল চামচ
৬. খাওয়ার সোডা সামান্য
৭. লাল রং সামান্য


Share/Bookmark

শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাঃ অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন

আমরা যারা প্রবাসে আছি, সবারই দেশে কথা বলার জন্য কোন না কোন VOIP প্রোভাইডারের কাছে থেকে ক্রেডিট কিনে কথা বলতে হয়। সবাই হন্যে হয়ে খোঁজ করেন কোথায় পাওয়া যাবে সস্তায় মানসম্পন্নভাবে দেশে কথা বলার সুবিধা। তবে প্রায় সব দেশেই বসবাসরত বাংলাদেশীদের নিজস্ব কিছু ব্যবস্থা থাকে, ফলে যোগাযোগ সহজ হয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের। বিশ্বস্ততাও কাজ করে, বিশেষত অনেক সময় জরুরী প্রয়োজনে টাকা না দিয়েও ক্রেডিট কেনা যায়, পরে টাকা দিলেও হয়। জাপানে আমার প্রবাস জীবন শুরু ২০০৮ থেকে। প্রথম থেকেই রিঙ২ফোন এর কার্ড কিনতাম, বাংলাদেশে ১২-১৩ঘন্টা কথা বলা যেত ২০০০ইয়েনের কার্ড কিনে, পিসি টু ফোন সিস্টেম।

Share/Bookmark

মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ ঝটপট ফুচকার রেসিপি

যা যা লাগবেঃ
☞ ময়দা ২ কাপ,
☞ সুজি আধাকাপ,
☞ তালমাখনা ১ চা চাঃ
☞ লবণ পরিমাণমতো,
☞ ডাবলি ছোলা সেদ্ধ পরিমাণমতো,
☞ আলু সেদ্ধ পরিমাণমতো
☞ পেঁয়াজ কুচি পরিমাণমতো,
☞ লেবু রস,
☞ শশা কুচি পরিমাণমতো,
☞ ডিম কুচি পরিমাণমতো,
☞ টকদই ১ টেবিল চামচ,
☞ কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো,
☞ ভাজার জন্য পর্যাপ্ত তেল


Share/Bookmark

মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১১

ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ এবং অনুষাঙ্গিক ভাবনাঃ একটি ব্যক্তিগত চিন্তার অপপ্রয়াশ

প্রতিবছর দেশের নানা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ থেকে পাস করে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী ঢাকামুখী হচ্ছে জীবিকার জন্য। এছাড়া বিভিন্ন দুর্গত এলাকার মানুষ আশ্রয়ে খোঁজে ঢাকায় আসছে। এভাবে সারাদেশ থেকে ঢাকামুখী এই মানুষের ঢল ঢাকাকে করছে মানুষের বসবাসের অযোগ্য। ঢাকায় মানুষ বাড়ছে কিন্তু সেই হারে কি ঢাকা শহরের আয়তন বাড়ছে? রাস্তাঘাট সেই মান্ধাতা আমলে করা প্রসস্থতা নিয়েই আছে, কিন্তু এই বর্ধিত জনসংখ্যার চাপে যানজট ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা এবং অনাকাঙ্খিত মৃত্যু। এখন যে অবস্থা চলছে বাসা থেকে বের হয়ে রাতে আবার বাসায় ফিরে যাবে কিনা সন্দেহ আছে। উর্ধ্বমুখী এই মানুষের ভীড়ে ঢাকা যেমন মানুষের মেলা, বেড়েছে যানজট, তেমনি জীবিকার অভাব, মানুষ অবৈধ পেশায় জড়িয়ে পড়ছে। আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ধ্বসে পড়ছে। ছিনতাই-রাহাজানি অহরহরেই ঘটছে এই মেট্রোপলিটন শহর ঢাকাতে। সামান্য কারনেই খুন হচ্ছে মানুষ। এসবের মুলে আসলে ঢাকা মাত্রারিক্ত জনসংখ্যার চাপ, এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারনে ঢাকা শহরে মানুষ পারছে না স্বাভাবিক জীবন অতিবাহিত করতে। তাই ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ আজ জরুরী। সারাদেশ থেকে  মানুষের এই ঢাকামুখী স্রোত বন্ধ করতে হবে, তবে সেটা আইন করে জোর করে নয়, অন্যান্য জেলা শহরেও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। ঢাকায় নতুন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-কলকারখানা স্থাপন বন্ধ করতে হবে, বরং অন্যান্য জেলায় এগুলো স্থাপনে উৎসাহ দেবার জন্য সরকার কর্তৃক বিশেষ সুবিধা ঘোষনা করা যেতে পারে। এজন্য দরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা , আস্তে আস্তে ভেবে চিনতে এগুতে হবে, যাতে ভুলের কারনে গচ্চা না হয়। যদিও আমাদের দেশে প্রজেক্ট খুবই জনপ্রিয়, প্রতি বছর নতুন নতুন প্রজেক্ট আবার প্রজেক্টের সম্ভাবতা যাচাই এর জন্য কোটি কোটি টাকা লস, সংশ্লিষ্ট বড় কর্তাদের অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশে ভ্রমন ব্লা ব্লা ব্লা......এভাবেই টাকা শেষ, প্রজেক্ট তখন ফাইলবন্দী।

যাহোক আসল কথায় আসি, সারাদেশের সকল জেলা সদরের সাথে ঢাকা সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে হবে, রাস্তা ডবল লেনের করতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু সুপার হাইওয়ে করা যেতে পারে, যেগুলোতে আরো দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছা যাবে কিন্তু বিনিময় টোল দিতে হবে। সরকার এজন্য বাহিরের কনষ্ট্রাকশন কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করতে পারে, যারা নিজেদের অর্থায়নে এই সুপার মহাসড়ক তৈরি করে নিজেরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টোল আদায় করে খরচ ঊঠিয়ে নেবে, এরপর এটা সরকারের হয়ে যাবে।

ঢাকা ও এর আশেপাশের জেলাগুলির সাথে ট্রেন যোগাযোগ উন্নত করতে হবে, সর্বোচ্চ আধাঘন্টা ব্যবধানে এসব জেলা সদরের সাথে ঢাকায় ট্রেন চলাচল করাতে হবে। ট্রেনগুলিতে ৫-১০টা বগি থাকবে, ফলে ঢাকায় থাকার মানসিকতা কমে যাবে, মানুষ প্রতিদিন আশেপাশের জেলা থেকে ঢাকায় তাদের অফিস করতে পারবে। যার ফলে ঢাকায় মানুষের চাপ অনেক কমে যাবে।


Share/Bookmark

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ পাবদা মাছের দোঁপেয়াজো

উপকরনঃ
পাবদা মাছ ২৫০ গ্রাম

পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ

কাঁচামরিচ পরিমানমত

ধনে পাতা কুচি ৩ টেবিল চামচ

টমেটো টুকরা ১ কাপ

মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ

মাছেরমসলা গুঁড়া ১ চা চামচ,

Share/Bookmark

শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০১১

আম্রিকা ট্যুরঃ পর্ব-০৩

অনলাইনে বুকিং করেছিলাম টাওয়ার মোটেল, বেশ সস্তা এবং ছিমছাম, এক ভারতীয় দম্পতির এই মোটেল। কনফারেন্স লোকেশন থেকে দুই কিলো দূরে, বাসে এক ডলার আর হেঁটে ২৫মিনিট। ভারতীয় দম্পতির বলে ভাবছিলাম খাওয়াদাওয়ার হয়ত ব্যবস্থা আছে, কিন্তু আশায় গুড়ে বালি, ইমেইলেই জানিয়েছিলো এটার বিপরীত পাশেই আছে চাইনীজ রেষ্টুরেন্ট, সুতরাং চিন্তা নেই খাওয়া দাওয়ার। যাহোক রুমে প্রবেশ করেই মনটা ভালো হয়ে গেল, বেশ বড় রুম, আর খাটের দেখে মনে হলো সাঁতার কাটা যাবে। ৪জন অনায়াসে থাকা যাবে। প্রায়দিকেই গ্লাস লাগানো। বাথরুমটাও বেশ ঝকঝকে। রুমে নেট কানেকশনের ব্যবস্থা আছে, ওয়াইফাই দিয়ে স্পীড একটু কম, কিন্তু ক্যাবল দিয়ে বেশ ভালো স্পীড পেলাম। ফ্রেশ হওয়ার আগেই দেশে ফোন দিলাম যে পৌঁছেছি সমস্যা হয়নি। এরপর বাথরুমে গিয়ে লম্বা একটা গোছল দিলাম। এবার রুমের দিকে আরো ভালো করে তাকালাম। বেশ সস্তা দরের মোটেলে সুবিধাদি দেখে মুগ্ধই হলাম। টিভি-মিনি ফ্রিজ, টি-ব্যাগ, হেয়ার ড্রাইয়ার প্রভূতি। যা হোক গোছ গাছ করে বের হলাম আশেপাশের একটু দেখার জন্য। অবশ্য আসল উদ্দেশ্য ডাক্তারকে দেখানো। কারন গত বছর বেশ কমাস যাবত H.Pylori ব্যাক্টেরিয়ার ইনফেকশনে ভুগছিলাম। জাপানে ৩ কোর্সের ঔষধ খেয়ে না সারায় জাপানে ডাক্তার একটা লেটার ইস্যু করে দিয়েছিলো যদি সম্ভব হয় আমেরিকায় গিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে আরো ভালো ঔষধ

Share/Bookmark

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ চাইনীজ ভেজিটেবল

♨যা যা লাগবেঃ
✓গাজর টুকরা ১ কাপ                                 ✓ফুলকপি টুকরা ১ কাপ
✓আলু টূকরা ১ কাপ                                   ✓মটরশুটি ১ কাপ
✓বাধাকপি চারকোনা করে কাটা ১ কাপ            ✓বড় পেঁয়াজ চারকোনা করে কাটা ১ কাপ
✓টেস্টিং সল্ট ১/২ চামুচ                              ✓কাঁচামরিচ টুকরা ২টি
✓চিকেন১ কাপ                                         ✓দই ১ চামুচ
✓মাখানোর জন্য আদা রসুন পেষ্ট আধা চা চামচ  ✓সয়াসস ১ চা চামচ
✓রসুন কুচি সামান্য                                    ✓চিনি সামান্য ✓লবন আন্দাজমতো                                   ✓তেল ১ টেবিল চামচ

Share/Bookmark

শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১

আম্রিকা ভ্রমনঃ পর্ব-০২

শুরু হলো নির্দিষ্ট দিন ক্ষনে আমেরিকার উদ্দেশ্যে যাত্রা। যাত্রী কোরিয়ান এয়ারলাইন্সের, জানালার পাশে সিট। বেশ আরামেই চলতে লাগলাম, প্রায় সাড়ে এগারো ঘন্টার বিরতীহীন যাত্রা। বিমানে  সিনেমার দেখে দেখে আগামী দিনের ভাবনা ভেবে ভেবে ঘুমে গেছিলাম ......জাগা পেলাম ডিনারের জন্য এয়ারহোষ্টের ডাকে। হালাল খাবারের কথা আগেই বলা ছিলো, কিন্তু কোরিয়ান এয়ারের দেয়া হালাল খাবার জঘন্য লেগেছিলো। পরিমানও সামান্য। মেজাজটাই খিচড়ে গিয়েছিল। যা হোক খেয়ে আবার সিনেমা দেখা শুরু করলাম। ঘন্টা তিনেক পর ঘুমানোর প্রস্তুতি নিলাম। কারন ভোরের দিকে লসএঞ্জেলস এয়ারপোর্টে নামতে হবে, এর আগে একটু ঘুমানো দরকার। এয়ারপোর্ট থেকে আবার ট্রেনে যেতে হবে লং বীচে। সেখানেই আগে থেকেই একটা মোটেল বুক করে রেখেছিলাম। যাহোক সকালে সময়মত পৌছলাম লসএঞ্জেলস এয়ারপোর্টে। সেই থাকে আমেরিকায় পদার্পন করলাম। হ্যান্ড লাগেজ নিয়ে এগোতে থাকলাম ইমিগ্রেশনের দিকে। বেশ লম্বা লাইন। আমেরিকাদের লাইন বেশ হালকাই কিন্তু বিদেশীদের ৪টার মত লম্বা লম্বা লাইন। পরে কতিপয় অফিসার বিদেশীদের লাইন ভেঙ্গে আমেরিকানদের লাইনে দিলেন, সময় বাঁচানোর

Share/Bookmark

সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১১

আম্রিকা ট্যুরঃ পর্ব-০১

গত বছর একটা কনফারেন্সে আমেরিকা গিয়েছিলাম, সেটা নিয়ে একটা সিরিজ লেখার চিন্তা মাথায় থাকলেও সময় আর সুযোগ ব্যাটে-বলে না হওয়ার এতদিন পর ভাবলাম লেখা শুরু করি। কনফারেন্স ছিলো গতবছরের নভেম্বরে। কনফারেন্স কমিটির গ্রীন সিগন্যাল পাওয়ার পর ভিসার জন্য টোকিওর আমেরিকান এম্বেসীতে গেলাম দেড়মাস আগেই। সব দরকারী ডকুমেন্টস-ফর্ম রেডি করে ইন্টারনেটে ওদের ওয়েবসাইটে অনলাইনে সাবমিট করলাম, সুবিধামত ইন্টারভিঊ এর তারিখ নিয়ে বিসমিল্লাহ বলে রওনা দিলাম। আশেপাশের বাংলাদেশীদের কথা শুনে আশা-নিরাশার দুলতে দুলতে চলে গেলাম সকালে এম্বেসীতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট নিয়ে। এখানে বলে রাখা ভালো অনলাইন সাবমিশনের পর একটা কনফার্মেশন পেজ আসে, যেখানে থাকে বার কোড নাম্বার। এটা ভিসা ফী জমা দিতে লাগে এবং ইন্টারভিঊ তারিখ নিতেও লাগে। ইন্টারভিঊ এর তারিখে যে সময় থাকে ঐটা আসলে এম্বেসী বিল্ডিং এ প্রবেশএর সময়, ইন্টারভিঊ এর সময় নয়। মোটামুটি ৩~৪ ঘন্টা লাগবে এম্বেসীতে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে। এরা আগেই বলে দে সময় কাটানোর জন্য বই বা পেপার সাথে নিতে। তবে ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী যেমনঃ সেলফোন, ক্যামেরা, মিউজিক প্লেয়ার ইত্যাদি সাথে রাখা যাবে না এম্বেসীর ভেতরে, নিয়ে গেলেও ভেতরে প্রবেশের আগে এগুলি জমা নিয়ে আপনাকে একটা টোকেন দেবে, যেটা দেখিয়ে ফেরার সময় আপনার জিনিস্পাতি ফেরত নিতে পারবেন। যাহোক গিয়েই দেখি প্রবেশের জন্য সবাই লাইনে দাঁড়িয়েছে। আমার আগে প্রায় ১০০+ মানুষ। প্রায় ৪০মিনিটের মত লাইনে দাঁড়িয়ে ভেতরে প্রবেশ করলাম। সেখানেও চারশতাধিক মানুষ হবে, সবাই অপেক্ষা করছে, কারো ইন্টারভিঊ, কারো ভিসা এক্সটেনশন। বাংলাদেশী ঐদিন কাঊকে পেলাম না, ইন্ডিয়ান একজনের সাথে পরিচয় হলো, ওনার সাথে কিছু সময় কাটালাম। এরমাঝে আমার ডাক পড়লো, দুইহাতের ছাপ দিয়ে আসলাম। এরপর ডাকবে ইন্টারভিউ এর জন্য। সাথে নিয়ে গেছিলাম মাসুদ রানা সিরিজের বই, ছিলোও আমেরিকাকে নিয়ে গল্প,

Share/Bookmark

শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ কলিজার সিঙ্গারা


যা যা লাগবেঃ
ময়দা : ৩কাপ
পানি: পরিমাণমতো
তেল : পরিমাণমতো
লবণ : স্বাদ অনুযায়ী
কালোজিরা : ১ চা চামচ

কলিজা টুকরা ১ কাপ
ছাল ছড়ানো ছোট ছোট টুকরো করা আলু, গাজর ২ কাপ
মটরশুঁটি : ১ কাপ
পিয়াজ কুচি :১ কাপ
ধনেপাতা কুচি : ১ টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ কুচি : ১ চা চামচ
আদা ও রসুন বাটা: ১ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়ো : আধা চামচ,
তেল : পরিমাণমতো

Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ ঘরে বানানো বগুড়ার দই

যা লাগবেঃ

  • দুধ ( দই এর পরিমানের দেড়গুন বা দ্বিগুন পরিমান)। বাজারে বেশি ঘনত্বের দুধ পাওয়া গেলে, তা ব্যবহার করা ভালো।
  • টকদই
  • চিনি (পরিমানমত)

প্রস্তুতপ্রণালীঃ
প্রথমে দুধ পাতিল/সস্প্যানে নিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। দুধের পরিমান জ্বাল দিয়ে দই এর পরিমানে আসা পর্যন্ত চুলায় রাখুন।

Share/Bookmark

মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ মোগলাই পরোটা

উপকরণঃ ময়দা ২ কাপ, তেল, লবন, কাচা মরিচ, আদা ও রসুনবাটা (পরিমাণ মতো) ডিম ৪টি, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, পিঁয়াজ, কুঁচি ১ কাপ আদা ও রসুনবাটা । গরম মশলা গুঁড়ো ১ চা চামচ।

যেভাবে করবেনঃ প্রথমে পরিমাণ মতো লবণ, তেল ও পানি দিয়ে ময়দা ভালকরে ছানিয়ে নিতে হবে। তারপর মাওয়া ১ঘন্টা রেখে দিতে হবে, এরপরে কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে কাটা পিয়াজ, আদা ও রসুন বাটা স্বাদ অনুযায়ী লবণ, কাঁচামরিচ,গরম মশলাগুঁড়ো, ডিম (৩টি) দিয়ে ভালোভবে কষিয়ে অল্প পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করে ঠান্ডা করুন।

Share/Bookmark

রবিবার, ২২ মে, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ ইলিশ পোলাও


ইলিশ পোলাও এর জন্য যা যা লাগবেঃ

➹ পিস করে কাটা ইলিশ মাছ (চাহিদানুযায়ী পিসের সংখ্যা নির্ভরশীল)
➹ আদা-রসুন-পেঁয়াজ পেষ্ট
➹ কাঁচা মরিচ
➹ পেঁয়াজ
➹ সোয়াবিন তৈল
➹ গরম মসলা, জিরা, তেজপাতা
➹ বাসমতি চাল
➹ দই
➹ মটরশুটি
➹ লবন

প্রণালীঃ
প্রথমেই চাল ১০মিনিট পানিতে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরাতে দিন। এবার ইলিশ মাছ এর টুকরো গুলি ধুয়ে নিয়ে মসলা, আদা-রসুন-পেয়াজ পেষ্ট, সামান্য এবং দই দিয়ে মেখে নিন। পেঁয়াজ কুচি করে কাটুন। এখন ফাইপ্যানে তেল দিয়ে চুলা চালু করুন। তেল গরম হয়ে আসলে মাখানো ইলিশের টুকরোগুলো তেলে ছেড়ে দিন। হালকা ভেজে নিয়ে মাছ উঠিয়ে রাখুন। এবার মাখানো মসলা (যেগুলোতে মাছ মাখানো ছিলো) ফ্রাইপ্যানে নিন, আবার মাছ দিয়ে প্রায় ২০মিনিটের মত কষিয়ে নিতে হবে, ঊঠানোর আগে কয়েক্টা আস্ত কাঁচা মরিচ দিন। ভালোভেবে নাড়িয়ে অন্যপাত্রে মাছ ঊঠিয়ে রাখুন।


Share/Bookmark

শনিবার, ১৪ মে, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ পিজ্জা-র রেসিপি

☼ যা লাগবেঃ
➽ ময়দা ২ কাপ
➽ ইস্ট ২ চা চামুচ
➽ চিনি ২ চা চামুচ
➽ গুঁড়া দুধ ২ চা চামুচ
➽ লবন ১/২ চা চামুচ
➽ ডিম ১ টা
➽ পানি পরিমান মত
➽ চিজ পরিমান মত।
➽ টমেটো সস ১ টেবিল চামুচ


Share/Bookmark

শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১১

জাপানের ডায়েরীঃ টোকিও বৈশাখী মেলা ২০১১

এনিয়ে পরপর তিনবার টোকিওর ইকেবুকরোর নিশিগুচি পার্কে অনুষ্ঠিত বৈশাখী মেলায় গেলাম। এবারই প্রথম সাদামাটাভাবে মেলা পালিত হলো। জাপানের সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বিপর্যয়ের পর, পুরা জাপানেই এর প্রভাব পড়েছে জাতীয় জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনে। আর এটা একটা চ্যারিটি প্রোগামও হিসাবে পরিচালিত হয়েছে এবার। প্রায় দশলাখ ইয়েন সহায়তা এসেছে মেলায় আগমনকারীদের কাছ থেকে। বাংলাদেশীরা বাদে এই মেলার উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহনকারী থাকত জাপানীজরা, কিন্তু বিপর্যয়ের পর থেকে জাপানীজরাও অনেক গুটিয়ে নিয়েছে নিজেদেক। আগে ওরা যেকোন আমুদে অনুষ্ঠানে বিশেষ করে জাপানে অবস্থানরত বিদেশীদের অনুষ্ঠানে অকাতরে অংশ নিত, কিন্তু এবার সবকিছুতেই ভাটা পড়েছে। গতবারের মেলার চেয়ে এবার বাংলাদেশীদের অংশগ্রহনও প্রায় অর্ধেক, এর কারনও সাম্প্রতিক বিপর্যয়, অনেকে আবার এই বিপর্যয়ের পর একমাসের ছুটিতে দেশে রয়েছেন, অনেকের পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে অনেকেরই আসা হয়নি। খাবারের ষ্টলও এবার তুলনামূলক কম। অন্যান্য ষ্টলও কম। খাবারের মানও এবার ভালো লাগলো না। যা তৈরি করেছে, তা গুনগতমানহীন। রসমালাই খেলাম, মনে হলো মিষ্টি দেয়া দুধে আটার গোলা  (গোল্লা নয়) খেলাম। স্বভাজাত বেশি ইনকামের চিন্তা, কিন্তু তারা যে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করছে এই চিন্তা নেই। তবে একটা বিষয় ভালো হয়েছে, তা হচ্ছে মোটামুটি লোকজনের কম আগমনে বেশ আরামে ঘোরাফেরা করা গেছে, স্টেজের সামনের বসার অংশ প্রায় ফাঁকা ছিলো, কারন একদিকে যেমন রোদ আর লোকের সরগরম কম হওয়ায় সবাই ইচ্ছেমত বসতে বা দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পেরেছে, যদিও বাংলাদেশ থেকে এবার কোন শিল্পী আসেনি। যদিও এই মেলার উদ্যোক্তাদের ওয়েবসাইটে লেখা ছিলো ক্লোজআপ তারকা লিজা আসার কথা। যাহোক এবারের মেলায় স্থানীয় উত্তরণ এবং স্বরলীপি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে। বাংলাদেশী গানের তালে জাপানীজদের নাচ বেশ দর্শনীয় ছিলো [নিচের ভিডিও দেখুন]।


Share/Bookmark

শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১১

জাপানের ডায়েরীঃ জাপানে বসন্ত-সাকুরা-হানামী উৎসব

চেরি ফুলকে জাপানে সাকুরা বলা হয়। Japanese kanji : 桜 or 櫻; hiragana: さくら। তবে এই ফুল দেয়া চেরি গাছ থেকে চেরি ফল পাওয়া যায় না, চেরির আর এক প্রজাতির গাছ থেকে চেরি ফল পাওয়া যায় যা জাপানিজে sakuranbo বলে। জাপানে এই সাকুরা ফুল ফোটার সময়ে উৎসব এর বন্যা বয়ে যায়। সবাই সাকুরা ফুলে ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সাকুরা ফুল দেখা নিয়ে যে উৎসব হয় তাকে হানামি (hanami: 花見) বলে। জাপানে প্রায় ২০০ প্রজাতির চেরির চাষ হয়। এই ফুল ফোটার সময় হলো এপ্রিল মাস। এসময় সারা জাপান হালকা গোলাপী রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। হানামি উৎসবে কবি-গায়ক-সকল স্তরের মানুষ স্থানীয় কোন পার্ক/স্থান যেখানে চেরির গাছ থাকে সেখানে জড়ো হয়ে উৎসবে মেতে ওঠে। জাপানের ১০০ ইয়েনের মূদ্রায় এক পিঠে এই সাকুরার ফুল অংকিত আছে।
 
 এপ্রিলে এই হানামী উৎসব জাপানীজদের মনে বেশ রাঙিয়ে তোলে। যদিও গত ১১ই মার্চের ৯ মাত্রার ভূমিকম্প এবং সুনামীর প্রভাব এখনও এদের মনে দগদগে ঘা এর মত হয়ে আছে, এখন এটাই দেখার বিষয় সাকুরা এদের দেহ ও মনকে কতটা প্রফুল্ল করে তোলে। নিচে গতবারের হানামীর সময় তোলা সাকুরার ছবি এবং ভিডিও।








Share/Bookmark

বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

অপরুপা বাংলাদেশ


Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ হাঁসের মাংসের ঝোল

আবার নিজের মত করে রান্নার গল্প। জাপানে বাংলাদেশী হালাল শপে সাধারনত ব্রাজিল থেকে আমদানী করা হাঁস পাওয়া যায়। দামের কথা আর নাই বা বললাম। রসনা তৃপ্তির বেলায় দাম কোন ব্যাপারই না। তারপরেও বলে রাখি ২কেজি ওজনের ব্রাজিলের একটা হাসেঁর দাম মাত্র ১৫০০ জাপানীজ ইয়েন ( ১ইয়েন= ০.৮৪ টাকা)।


যা যা লাগবেঃ
✿ হাঁসের মাংস (মোটামুটি ১কেজি)
✿ পেঁয়াজ কুচি দেড়কাপ
✿ আদা-রসুন পেষ্ট
✿ শুকনা মরিচের গুড়া
✿ ধনিয়া পাতা

Share/Bookmark

সোমবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১১

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার সেরা খাবারের তালিকাঃ নতুন করে আপডেট-১

প্রিয় বাংলাদেশের সব এলাকার বিখ্যাত খাবারের নাম জানি? অথচ আমরা অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছি, কিন্তু ঐ এলাকার সুস্বাদু খাবারের নাম যদি জানতেন??রসনার তৃপ্তি মেটাতে পারতেন ঐসব মুখরোচক বিখ্যাত খাবার দিয়ে। এই লক্ষ্যে আগে পোষ্ট দিয়েছিলাম সামু আর আলুতে, বাংলাদেশের বিখ্যাত ও সুস্বাদু খাবারের তালিকা করতে। অনেকেই অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন। ওসবে আর ব্লগিং করা হয় না, একটা আপডেট দিয়েছিলাম আমার গল্পের বাগানবাড়িতে সেটাই আবার এই ব্লগের জন্য পোষ্ট দিলাম, প্লিজ সবাই নিজের এলাকার বিখ্যাত খাবার (তৈরি করা, প্রকৃতি প্রদত্ত-শস্য-ফল-মাছ-শাক-সবজি নয়) এর নাম, যদি সম্ভব হয় ছবি সহ দিন।



বগুড়ার দই

গাইবান্ধার রসমঞ্জুরী
টাঙ্গাইলের চমচম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালের বড়া
বাঘাবাড়ির ঘি
নওগাঁর প্যারা সন্দেশ


(ছবি কৃতজ্ঞতাঃ সামুর ব্লগার অগ্নিবীনা )
নাটোরের কাঁচাগোল্লা




Share/Bookmark

রবিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ মোরগ পোলাও

আবারো নিজের রেসিপি নিজের ইচ্ছামত সাজিয়ে রান্নার চেষ্টা। এবারের আইটেম মোরগ পোলাও।


যা লাগবেঃ
পোলাও এর চাল দুকাপ, মোরগের দুইটা রান, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, তেল, গরম মসলা, আদা-রসুন পেষ্ট, দই, ধনিয়াপাতা। [আমি ২জনের পরিমান করে রান্না করেছি, পাঠক ইচ্ছামত পরিমান কমবেশি করতে পারবেন আনুষাঙ্গিক আইটেম কম বেশি করে। এমনকি বিভিন্ন মসলা যেমনঃ দারুচিনি-এলাচ-লবঙ্গ-জায়ফল-জয়ত্রী ব্যবহার করতে পার স্বাদ আর ঘ্রানে নতুনত্ব আনতে। প্রবাসে যেহেতু একা থাকি আর মসলা প্রাপ্তিতে সমস্যা বিধায়, নূন্যতম যা না হলে নয় সেগুলি দিয়েই রান্নার চেষ্টা ]


যেভাবে শুরু করবেনঃ
প্রথমে মোরগের রান দুটি ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরতে দিন। এবার দই (পরিমানটা হবে এমন যাতে সব মাংস ভালোভাবে মাখানো যায়) আর আদা-রসুন পেষ্ট দিয়ে মাংস ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়ে একটা বক্সে করে রেখে দিন মেরিনেট করার জন্য। নূণ্যতম দুই ঘন্টা, তবে সারারাত রাখতে পারলে আরো ভালো।


Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১০

নিজের পছন্দের মযিলা ফায়ারফক্সের চমৎকার কিছু এডঅন

ব্রাউজার হিসাবে ফায়ারফক্স এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী অনেকের কাছেই এর অবস্থান এক নম্বরে, কারন বেশ সহজে ব্যবহার করা যায়, ইচ্ছা মত সাজানো যায়, ঘন ঘন আপডেট পাওয়া যায়। মযিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা অবশ্যই এর এডঅন এর সাথে পরিচিত। এসব এডএন যেমন ফায়ারফক্সকে সাজাতে সাহায্য করে তেমনি ব্রাউজিং এর কাজে অনেক নানা ভাবে তথ্য-উপাত্ত আর সুবিধাদি দিয়ে থাকে। আজ আমার পছন্দের এডঅন যেগুলি আমি ব্যবহার করি সেগুলি শেয়ার করছিঃ

Flagfox:
ফায়ারফক্সের চমৎকার এই এডঅনটি আসলে আপনার ব্রাউজকৃত ওয়েবপেজটি কোন দেশের সার্ভার ব্যবহার করছে, সেই দেশের পতাকা দেখায় ব্রাউজারের এড্রেস বারের একেবারে ডানে। যেমন ছবি খেয়াল করুনঃ আমাদের শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটটির সার্ভার বাংলাদেশের। তাই ফ্লাগফক্স বাংলাদেশের পতাকা দেখাচ্ছে।


Share/Bookmark

মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১০

ঘুরে আসুন বগুড়াঃ বগুড়া ভ্রমনের টুকিটাকি-যাতায়াত-ঘোরাঘুরি-থাকা-খাওয়া


বগুড়া- উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র, সম্ভাবনাময় একটা শহর, যথাযথ পরিকল্পনার ছোয়া পেলে দেশের অন্যতম ব্যবসাকেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র, শিক্ষার শহরে পরিনত করা সম্ভব। এখানে রয়েছে বেশ কজন পীর আঊলিয়া, বিখ্যাত বগুড়ার দই, রয়েছে আন্তঃজাতিক মানের শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, আধুনিক জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ, ৪তারকা হোটেল নাজ গার্ডেন প্রভূতি।

বগুড়ায় যেভাবে যাবেন (ঢাকা থেকে):
ঢাকার গাবতলী আর মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বগুড়া যাবার জন্য এসি-ননএসি-ভলবো-মফিজ সব ধরনের বাসই আছে। তবে গ্রীনলাইন, এসআর পরিবহন, শ্যামলী ট্রাভেলস, টিআর ট্রাভেলস, হানিফ ইন্টারপ্রাইজ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া মধ্যমমানের একতা পরিবহন আছে যা  মহাখালী থেকে বগুড়ার উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ট্রেনে যাওয়া সহজ হবে না, কারন শান্তাহার নেমে আবার বগুড়ায় আসতে হবে, এরচেয়ে প্রায় চার/সাড়ে চার ঘন্টার বাস ভ্রমন অনেক আরামদায়ক। ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নামতে পারবেন বনানীতে, ঠনঠনিয়া আন্তঃজেলা কোচ টার্মিনালে। আর যদি বাস এর শেষ গন্তব্য বগুড়ায় না হয় তাহলে অবশ্যই বনানী, চারমাথায় নামতে হবে। তবে অনেক বাস ঠনঠনিয়া আন্তঃজেলা কোচ টার্মিনালে বগুড়ার যাত্রী নেমে দিয়ে পরের গন্তব্যে চলে যায়।


Share/Bookmark

শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১০

প্রবাসের রান্নাঘরঃ কাচ্চি বিরিয়ানী (সাদা রঙের মিশন)

কাচ্চি নিয়ে আগেও ট্রাই করেছিলাম, প্রবাসের রান্নাঘরঃ কাচ্চি বিরিয়ানী  কিন্তু রান্নার স্টাইলের ফারাকের জন্য রঙ সাদা না হয়ে বাদামী হয়েছিলো, এরপর ভাবলাম পরেরবার সাদা যাতে হয় সেদিকে খেয়াল রাখবো। সেই অনুযায়ী পরের মিশনে নেমে গেলাম।


যা লাগবেঃ
পোলাও এর চাল, খাসির মাংস, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, তেল, গরম মসলা, আদা-রসুন পেষ্ট, দই/দুধ।


যেভাবে শুরু করবেনঃ প্রথমে পরিমান মত খাসির মাংস কেটে নিন। ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরতে দিন। এবার দই/দুধ (পরিমানটা হবে এমন যাতে সব মাংস ভালোভাবে মাখানো যায়) আর আদা-রসুন পেষ্ট দিয়ে মাংস ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়ে একটা বক্সে করে রেখে দিন মেরিনেট করার জন্য। নূণ্যতম দুই ঘন্টা, তবে সারারাত রাখতে পারলে আরো ভালো।
 এবার পোলাও এর চাল ধুয়ে নিন। সস্প্যান ধুয়ে নিয়ে চুলায় দিন, তেল দিয়ে হাল্কা আচে পেয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেয়াজ এর রঙ বদলানো শুরু করলে এতে দিন (লবনের পরিমানটা হবে পোলাও আর মাংসের জন্য), সামান্য গরম মসল্লা আর কাঁচা মরিচ কেটে দিন। নরম হয়ে আসলে এবার পোলাও এর চাল ঢেলে দিন। এই সময় সামান্য পরিমান আদা-রসুন পেষ্ট দিতে পারেন। ভালো ভাবে নেড়ে নেড়ে ভাজতে থাকুন। যখন লেগে আসতে শুরু করবে, তখন গরম পানি দিন (পরিমান হবে চালের দ্বিগুন) মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিন। পানি যখন কমে আসবে তখন অর্ধেক চাল উঠিয়ে নিন।


Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১০

স্বপ্ন দেখা নিয়ে নিজের একটা ব্যাপক গবেষনামূলক পোষ্ট

ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখা মানুষের স্বভাবজাত। হরেক মানুষের হরেক রকমের স্বপ্ন দেখে ঘুমের মাঝে। কখনও হাসির, কখনও মজার, কখনও দুঃখের, কখনও অতি অবাস্তব। মানুষ ঘুমিয়ে গেলে, তার মস্তিস্কের কিছু অংশ সজাগ থাকে যার মাধ্যমে মানুষ স্বপ্ন দেখে। এই স্বপ্ন নিয়েই আমার ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরছি---





Share/Bookmark

বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১০

জাপানের ডায়েরীঃ স্কুলের বাচ্চাদের সাথে একদিন

মাঝে মাঝেই স্থানীয় স্কুলগুলি থেকে আশে পাশে থাকা বিদেশী ছাত্রদের ডাক পড়ে বাচ্চাদের সাথে নিজ নিজ দেশকে পরিচিত করে দিতে। ব্যস্ততা থাকলেও দেশকে জাপানের বাচ্চাদের সাথে পরিচিত করে দিতে পারবো, এই ভাবনা থেকেই রাজি হয়ে গেলাম। এই প্রোগ্রামটা দু'দিনে ভাগ করা ছিলো। ১মটা ছিলো অক্টোবরে, তারিখ মনে নেই। আমরা ছিলাম ৫জনঃ দুই তাইওয়ানীজ মেয়ে, মরক্কোর একজন, ভারতের একজন আর আমি। সবাই প্রায় স্লাইড বানিয়ে নিয়ে এসেছে প্রেজেন্টেশনের জন্য। আমিও স্লাইদ বানিয়েছিলাম, ছিলো আমাদের সংস্কৃতি, ধর্মীর আচারাদি, পোষাক, খাবার, জাতীয় পশু, খেলা, ফুল, ফল ইত্যাদি। বাচ্চা দের দেখলাম বেশ মনে ধরেছে, কারন ওদের আর আমাদের পতাকা প্রায় একই, শুধু সাদা আর সবুজে পার্থক্য। সাথে শিখালাম আমাদের সম্ভাষন, সালাম, হ্যাঁ, না, আমি ভালো আছি প্রভূতি টুকটাক কথামালা। বেশ মজা পেয়েছিলো বাচ্চাগুলো। আমি অবশ্য প্রিন্ট আঊট করে নিয়েগিয়েছিলাম প্রেজেন্টেশনের চাইতে আরো বেশিকিছু যা বাচ্চাদেক বিলি করে দিয়েছি। অন্যরাও নিজেদের দেশকে উপস্থাপন করেছে। আমি অবশ্য ৩টা ক্লাসের শেষেরটাতে অংশ না নিয়েই ল্যাবে চলে এসেছি, কারন আমার একটা প্রেজেন্টেশন ছিলো ল্যাব সেমিনার এ।
বাচ্চাদের একাংশ

Share/Bookmark

মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১০

ফেলে আসা স্মৃতি-০৩

☼পড়া চোরা☼

বাবা শিক্ষক হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই কড়া নজর আর শাসনে ছিলাম। অন্যদের মত আড্ডাবাজি করতে পারি নাই। খেলাধুলা করলেও নির্দিষ্ট সীমানার মাঝে ছিল তা। নিয়মিত পড়া দেওয়া থাকত, আর সময়মত চলত সেই পড়া আদায়। প্রাইমারী বৃত্তি পরীক্ষায় সময়, তখন অতটা স্কুলে যেতাম না, ভালো করে পড়াশুনার জন্য। আব্বা স্কুলে যাবার সময় পড়া দিয়ে যেতেন, আর সন্ধ্যায় পড়া আদায় করে নিতেন। এভাবেই চলছিল, কিন্তু মাঝে মাঝে কেমন জানি বিস্বাদ লাগছিলো, একঘিয়েমি পেয়ে বসল। কিন্তু কোন উপায়ও নাই!!!! জ্বর এসেছে বলেও পার পাবার উপায় নেই, হয়ত কপাল ঘসে কিছুটা দেখানো যাবে, কিন্তু পুরা বডিইতো ঠান্ডা। থার্মোমিটার কেউ বোকা বানানো যাবে না। কোন উপায় পাই না………….

Share/Bookmark

ফেলে আসা স্মৃতি-২

☼দই☼

ছোটবেলা থেকেই দইয়ের ভক্ত ছিলাম, বাড়ি বগুড়া বলেই কিনা জানি না। যা হোক আজ দই নিয়ে স্মৃতি রোমহ্নন করছি। পিচ্চিকালে তখন দই বিক্রেতা ভারে করে (বাশের লিঠির মত যা ঘাড়ে নিয়ে এর দুই মাথায় রশি দিয়ে বাশের ঝুড়িতে কিছু বহন করতে ব্যবহার হয়) দই বিক্রি করতে আসত। দই বিক্রতের ডাক শুনলেই হল, কিভাবে যে আমার কানে আসত, সাথে সাথে দৌড় দিতাম, দই আনার জন্য। এভাবে মোটামুটি রেগুলার কাস্টমার আমি, দই ওয়ালারাও সম্ভবত বাড়ির সামনে এসে জোরে হাঁক দিত। মাঝে মাঝে এমন অবস্থা যে কখনও দই ওয়ালা এসে হাঁক দিলে আর আমার কোন নড়াচড়া পাওয়া না গেলে আম্মাই চিন্তায় পড়ে যেত, আমি কই গেলাম, বাড়িতে নিশ্চয় নাই , কারন বাড়িতে থাকলে, আর দই ওয়ালা আসলে আমি চুপ থাকব, এটা অসম্ভব। তাই ছোটবেলায় দইওয়ালা আসলেই বোঝা যেত আমি কোথায়!!!!!

Share/Bookmark

রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১০

প্রবাসের রান্নাঘরঃ খাসির বিরিয়ানী

আজকে রান্না করলাম খাসির বিরিয়ানী। অবশ্যই নিজের রেসিপি, কিন্তু পেয়াজ একটু বেশি আচে যাওয়ায় আর মনে হয় গরম মসলা কিঞ্চিৎ বেশি হওয়ায় লালচে হয়েছে, এর পরের টার্গেট হবে সাদা রঙ রাখার।



যেভাবে শুরু করবেন। যা যা লাগবেঃ

পোলাও এর চাল, খাসির মাংস, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, তেল, গরম মসলা, আদা-রসুন পেষ্ট।


প্রথমে পরিমান মত খাসির মাংস কেটে নিন। এবার পেয়াজ কুচি করে নিন, সস্প্যানে তেল দিয়ে চুলায় দিন, তেল হাল্কা গরম হলে এবার পেয়াজ কুচি ছেড়ে দিন, কাঁচা মরিচ গরম মসলা, লবন, আদা-রসুন পেষ্ট দিয়ে নাড়ুন। (নিচের ছবি দ্রঃ)

এবার পোলাও এর চাল
পানিয়ে ধুয়ে পানি ঝরাতে দিন।

Share/Bookmark

শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১০

ফেলে আসা স্মৃতি-১

মানব জীবন বড়ই বৈচিত্রময়। কখন মনে যে কি উদয় হয় আর কি যে অস্ত যায়, বুঝা মুসকিল। প্রবাসে এসে ইদানিং মাঝে মাঝে শৈশবের স্মৃতিগুলো বেশ জোরালোভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। মাঝে মাঝেই হারিয়ে যাচ্ছি সেই সোনালী ছেলেবেলায়। আর মনে হয় ঐ সময়টাকেই কোনভাবে যদি আটকে রাখা যেত? থাকতো না করুন বাস্তবতা, হা-পিত্যেশ, দৌড়াদৌড়ি--------খাবার সময় মা খাওয়াইয়া দিত, ঘুম পাড়িয়ে দিত---- আর এখন বাস্তবতার যাতাকলে পিষ্ট। চলছে রোবোটিক লাইফ। এই সিরিজে সেই পিচ্চিবেলার ঘটনাগুলো আপনাদের সাথে ধারাবাহিকভাবে লিখব ভাবছি----





শশা!!!☼


আমাদের বাড়ি গ্রামে হলেও বিশ্বরোডের একবারে সাথেই, সাথে রয়েছে শহুরে সুযোগ সুবিধা। ফলে গ্রাম-শহর দুটারই ছোঁয়া পেয়েছি। আমার আম্মা চাকুরিজীবি হলেও তার সাংসারিক কাজকর্মের একনিষ্ঠতা দেখলে আসলে গর্ব করার মত

Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১০

অভাগা যেদিকে যায়......খাল-বিল-নদী-নালা-মহাসাগর শুকিয়ে যায়।




আজকের দিন কি দেখে যে শুরু করেছি মনে করতে পারছি না। সবকিছুতেই ভেজাল অবস্থা। যেভাবেই যাই, কিছুই এগোয় না। ল্যাবের জন্য একটা পোষ্টার প্রিন্ট করবো। এটা নিয়েই আজ ইতিহাস। প্রফেসর ইমেইল জানালো আফটারনুনে ক্যাড রুমে যেতে ওখানকার বড় প্রিন্টারে প্রিন্ট করতে হবে, যেহেতু জাপানীজ পিসি সুতরাং প্রফেসরই সাহায্য করবে। আমি ইমেইল দিলাম, আফটারনুন বললেই নির্দিষ্ট সময়টা কখন। জানলাম ১২টায় যেতে হবে, জো হুকুম জাঁহাপনা, গেলাম ১২টায়...............সেই থেকে ইতিহাস!!!!!!


ডাটা কেবলে সমস্যা, যেটা পিসি অনেক চেষ্টার পর জানা গেল। এবার প্রফেসর একটা ল্যাপ্টপ দিয়ে আমাকে বলে গেলেন, মাষ্টার্সের এক স্টুডেন্ট এসে আমাকে প্রিন্ট করতে সাহায্য করবে। কপাল খারাপ হলে আর কি বলবো, ল্যাপি কেবল চালু করে প্রিন্টার চেক করতেছি, পাওয়ার গেল। কিন্তু এভাবে তো পাওয়ার যাওয়ার কথা না। সবাই দেখি ল্যাব থেকে বাহিরে এসেছে, কারন ইলেক্ট্রিসিটি এভাবে চলে যাওয়ায় কেঊই বিশ্বাস করতে পারছে না, কারন এটা সিডিউল মেইন্টিনেন্সও না, কোন আগাম ঘোষনাও ছিল না, আর জাপানে লোডশেডিং? এমন ইতিহাস নেই। কিন্তু সেটাও আজ হয়ে গেল। কি আর করা, অপেক্ষায় থাকলাম। ২০মিনিট পরে আসলো পাওয়ার। আবার ল্যাপি নিয়ে ঝাপিড়ে পড়লাম। কিন্তু ্কপালের ফের, ল্যাপিতে ঐ প্রিন্টারের ড্রাইভার পাচ্ছে না। আবার আমি অফিস ২০০৭ এ কাজ করেছি কিন্তু ২০০৭ আর ২০০৩ দুই ভার্সেনেই সেভ করেছি, কিন্তু ঐ ল্যাপির অফিস ২০০৩ তে আমার কাজটার লেখা উদ্ভট দেখায়। ল্যাবে গেলাম ২০০৩ ভার্সনের জন্য ২০০৭ এর এড অন ডাঊনলোড করতে, আবারো কপাল মিয়া বিপক্ষে গেল। হঠাৎ পাওয়ার যাওয়ার এখনও নেট আসে নাই, পাওয়ার আসলেও।



দৌড়ে বাসায় গেলাম, এডঅন সহ পোর্টেবল অফিস ২০০৭ নামালাম। এরপর বাড়তি সতর্কতা হিসাবে ঐ প্রিন্টারের ড্রাইভার ডাঊনলোড করলাম, আমার ল্যাপিও নিলাম। শুরু হলো প্রিন্ট করার যুদ্ধ। পোর্টেবল অফিস ২০০৭ ব্যবহার করেও কাজ হচ্ছে না, সব ডিজাইন ওলট পালট। না হয় ওলটপালট হোক, ভাবলাম দেখি প্রিন্ট কেমন আসে, কিন্তু প্রিন্টার ইরোর দেখায়। মাষ্টার্সের ঐ ছেলে যখন হাল ছেড়ে দিলো, আমার ল্যাপি দিয়ে ট্রাই করা শুরু করলাম, দেখি আমি যে ড্রাইভার নামিয়েছি, সেটা সাপোর্ট করছে না। পরে প্রফেসর ল্যাব থেকে আসলো, এই অবস্থা দেখে সে নিজের অফিস রুম থেকে একটা আর একটা ড্রাইভার সফটওয়ার এনে দিলো, সেট আপ দিলাম আবার আমার ল্যাপিতে। কিন্তু প্রিন্টার এর মাথা বিগড়ে গেছে, প্রতিবার প্রিন্টার ইনিশিয়ালাইজ করতে গিয়ে ব্যাটা বারবার কাগজ কেটে ফেলছে, তাও যদি কাজ হত খুশি হতাম।


প্রিন্টার আবার এলার্ট দিচ্ছে কালি কমে গেছে, প্রফেসর সব কার্টিজ বদলে দিলো, শেষমেষ প্রিন্ট দিতে গেলাম, কিন্তু ইনপুট আর আউটপুট সাইজে ভুল করায়, প্রিন্ট হলো এ৪ এ, কি আর করা আবারো দিলাম প্রিন্ট কিন্তু এবার চ্রম ভেল্কি, ইনলার্জ এত হয়েছে যে কাগজের প্রস্থের দ্বিগুন পরিমান সাইজ এ প্রিন্ট করা শুরু করেছে, যা ফলাফল হাফ প্রিন্ট। মেজাজ চরম বিলা। কার এত মনযোগ থাকে? সেই ১২টা থেকে এই যন্ত্রনা চলছে, মাঝে নাকে মুখে একবার খাবার গিলে এসেছি। এবার সবকিছু ওকে করে প্রিন্ট দিলাম। কিন্তু ঐযে কথায় আছে না, অভাগা যে দিকে যায়......

প্রিন্টার এবার সাইজমতই প্রিন্ট করা শুরু করেছে, কিন্তু ১ম ৪০% বাদ দিয়ে এরপর থেকে প্রিন্ট করছে। কি আর করা প্রফেসরেরও বাসায় যাওয়া লেট হয়ে যাচ্ছে, সে বললো আচ্ছা, এবার তাহলে পেজ ১৮০ডিগ্রী করে প্রিন্ট করা হোক, তাহলে এবার প্রথমের অংশ প্রিন্ট হবে, পরে জোড়া দিলেই হবে। আমিও সায় দিলাম, কারন পেটের জ্বলুনি শুরু হয়েছে, মাগরিব-এশাও পড়ি নাই। কিন্তু শেষে এসে প্রিন্টার পুরাই চমক দেখিয়ে দিলো, উলটা দিক থেকে প্রিন্ট করতে দেওয়ার এবার সে ১০০% নির্ভুলভাবে প্রিন্ট দিলো, সেই সাথে আমার মোটামুটি ৭ঘন্টার যুদ্ধেরও পরিসমাপ্তি ঘটলো।
Share/Bookmark

রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১০

প্রবাসের রান্নাঘরঃ কমপ্লিট খানাপিনা (ফুল প্যাকেজ)

ছুটি পেয়ে অনেকদিন পর বেশ মজা করে রান্না করলাম। এজন্য আজ আংশিক রান্নার গল্প না, রাইসের সাথে সবজির আইটেম থাকবে।


আজকের মেন্যু আইটেম হলোঃ আন্ডা ফ্রাইড রাইস উইথ মটরশুটি এবং চিংড়ির সবজি।
প্রথমে ফ্রাইড রাইস দিয়ে শুরু করা যাক, যা যা লাগবেঃ

✓পোলাও এর চাল  ✓পিয়াজ ✓গরম মসলা ✓ সোয়াবিন তেল
✓মটরশুটি  ✓আদা-রসুন পেষ্ট ✓ লবন ✓ কাঁচা মরিচ  
✓ আন্ডা (২৫০গ্রাম চালের জন্য ৩টাই যথেষ্ট)

Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১০

প্রবাসের রান্নাঘরঃ খাসির মাংসের ভূনা

যা যা লাগবেঃ

খাসির মাংস কমপক্ষে ১/২কেজি, বেশি পরিমান পেঁয়াজ, গুড়া মরিচ, গরম মসলা, আদা-রসুন পেষ্ট, আরো কিছু মসল্লা স্বাদ বাড়ানোর জন্য।


Share/Bookmark

সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১০

জাপানের ডায়েরীঃ প্রবাসে বাংলাদেশকে খোঁজা

আমি মনে করি, দেশে প্রতি সবচেয়ে বেশি টান অনুভব হয় কেউ যদি একবার দেশের বাহিরে আসে। গরীব আর নানা অপ্রাপ্তির পরেও জন্মভূমিতে যে অনাবিল আনন্দ, সেটা প্রবাস জীবনেই টের পাওয়া যায়। তবে, হ্যাঁ এর ব্যতিক্রমও আছে, অনেকের কাছে আবার ৩য় বিশ্বের এই গরীব দেশ ছেড়ে উন্নত সভ্যতার নাগরিক হওয়াকেই জীবনের আরাধ্য মনে করে। যাহোক এটা যার যার ব্যাপার। 


এবার পোষ্ট প্রসঙ্গে আসি। প্রবাসে এসে সবসময়ই দেশের লোকজন/প্রতিষ্ঠান/ বাংলা লেখা খুজি। দেশের সম্পর্কিত কিছু পেলেই মনটা ভরে ওঠে, এই সুদূর প্রবাসে। গতবার ক্যাম্পাসের পাশে স্থানীয় লোকজনের এক বস্ত্রমেলার হঠাৎ চোখ আটকে গেল কয়েকটি ব্যাগে, দেখলাম ব্যাগের গায়ে বাংলায় বাংলাদেশ লেখা। বিক্রেতা জাপানীজ, জিজ্ঞাস করায় বলল বাংলাদেশ বেড়াতে গিয়ে কয়েকটি ব্যাগ কিনেছিলো, সেগুলোই বিক্রি করতেছে। বেশ ভালো লাগলো, নিজের মায়ের ভাষার লেখা দেখে। একটা প্রাপ্তিতে মনটা ভরে গেল, এই সুদূর থেকে।


Share/Bookmark

শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১০

পায়েস এর রেসিপি।

পায়েস পছন্দ করে না, এমন কাউকে হয়ত সহজে পাওয়া যাবে না। যাহোক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ইদানিং চেষ্টা করছি, নিজে থেকে নতুন নতুন কিছু আইটেম (আমার নিজের কাছে প্রথম রান্না) রান্না করা। যেহেতু রোজা তাই ভাবলাম মিষ্টি জাতীয় কিছু রান্না করি, কয়েক সপ্তাহ পুডিং রান্না করে ভাবলাম, আইটেম বদলানো দরকার, যেই ভাবা সেই কাজ, পায়েস নিয়ে লেগে পড়লাম। শেষমেষ খারাপ হয়নি রান্না, সেটাই আজ শেয়ার করতেছি-


যা যা লাগবেঃ
এক লিটার দুধ, দেড় ছটাক এর আতপ চাল, পরিমানমত চিনি, কিচমিচ।

Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১০

পাইরেটেড উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহারকারীরা সাবধান!!!

পাইরেটেড উইন্ডোজ সেভেন যারা ব্যবহার করছেন তাদের কাছে নিচের ছবিটি খুবই পরিচিত। কোন কারনে যদি সেভেনকে একটিভেটেড করতে না পারেন (সেটআপের ৩০দিন পর)অথবা উইন্ডোজ সেভেন এর ভ্যালিডিটি আপডেট চেকার (KB971033) কোনভাবে পিসিতে ইনস্টল হয়ে যায় , তখনই ডেক্সটপ ওয়ালপেপার কালো হয়ে যাবে এবং স্ট্যাটাস বারের উপড়ে ডান পাশে দেখাবে উইন্ডোজ জেনুইন না।


Share/Bookmark

বাংলাওয়ার্ডঃ বিজয়কে তাড়িয়ে অভ্র পাবার আগে আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া এক বাংলা লেখার সফটওয়ার নিয়ে স্মৃতিকথন



অনেক আগে আমি বিজয় এ বাংলা লেখা ছেড়ে দিয়েছিলাম, আমার কাছে ইউজার ফ্রেন্ডলি মনে হয় নাই, সবচেয়ে বেশি বিরক্ত লাগত পুচকি এক সফটওয়ার কিন্তু সেটআপ দিলেই পিসি রিস্টার্ট দিতে হয়X((X(( ১হাত বাঙ্গীর ১৩হাত বিচি আর কি। বিজয়ে লিখতে গিয়ে কিবোর্ডে বাংলা অক্ষর খুজে খুজে লিখতে গিয়ে হয়রান হয়ে যেতাম।এরপর কিভাবে যেন নেটে পেয়ে গেলাম বাংলাওয়ার্ড । ধুমধাম ডাউনলোড দিলাম। বেশ ভালো লাগছিলো, ফোনেটিকের মত লেখা যায়, সামান্য আলাদা। কিন্তু বিজয়কে তাড়াতে পেরেছিলাম, এটাই বড় কথা:P:P

Share/Bookmark

স্মৃতির ডায়েরী থেকে মনের জানালায় দোলা দেয়া কিছু ঘটনা!!

মনের পাতায় জমে থাকা স্মৃতি কখনই ভোলা যায় না, হোক না তা যতই বেদনার। আর এস্মৃতি যদি হয় প্রিয়জনকে নিয়ে তাহলেতো কথাই নেই, কখনই জীবন থেকে সিফট্ ডিলিট করা যায় না! জীবনের যেকোন সময়ে তা হঠাৎ করেই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আজকের আমার এই লেখাটি বিগত হওয়া আমার কিছু প্রিয় মানুষগুলোকে নিয়ে, যারা এখন অতীত হলেও স্মৃতি থেকে এখনও তাদের সাথের যাপিত সময়গুলো অনুভব করি, মিস করি ঐ সোনালী সময়কে। কারন স্মৃতিকে কখনই দূরে ঠেলে রাখা যায় না! পেছন থেকে ঠিকই আছড়ে পরে.........

Share/Bookmark

বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০১০

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সেরা খাবারের তালিকা

 

আমরা কি সবাই প্রিয় বাংলাদেশের সব এলাকার বিখ্যাত খাবারের নাম জানি? অথচ অনেক জায়গায় আমি ঘুরে বেড়িয়েছি, যদি ঐ এলাকার সুস্বাদু খাবারের নাম জানেন, হয়ত ঘুরে বেড়ানোর সময় রসনা তৃপ্তি করতে পারবেন। এই লক্ষ্যে আগে পোষ্ট দিয়েছিলাম সারা বাংলাদেশের বিখ্যাত ও সুস্বাদু খাবারের তালিকা করতে। অনেকেই অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন। সব আপডেট নিয়ে আবার পোষ্ট দিলাম, প্লিজ সবাই নিজের এলাকার বিখ্যাত খাবার (তৈরি করা, প্রকৃতি প্রদত্ত-শস্য-ফল-মাছ-শাক-সবজি নয়) এর নাম, যদি সম্ভব হয় ছবি সহ দিন।

আগের সূচনা পর্বঃ আসুন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সেরা খাবারের তালিকা করি।

২য় আপডেটঃ আসুন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সেরা খাবারের তালিকা করিঃ ২য় পর্ব!


বগুড়ার দই
টাঙ্গাইলের চমচম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালের বড়া
বাঘাবাড়ির ঘি
নওগাঁর প্যারা সন্দেশ
নাটোরের কাচাগোল্লা
মুক্তাগাছার মণ্ডা
মাদারীপুরের গুড়
কিশোরগঞ্জ-নেত্রকোণার বালিশ মিষ্টি
ময়মনসিংহের আমিরতি

Share/Bookmark

রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০১০

সাকুরা/চেরী ফুল

চেরি ফুলকে জাপানে সাকুরা বলা হয়। Japanese kanji : 桜 or 櫻; hiragana: さくら। তবে এই ফুল দেয়া চেরি গাছ থেকে চেরি ফল পাওয়া যায় না, চেরির আর এক প্রজাতির গাছ থেকে চেরি ফল পাওয়া যায় যা জাপানিজে sakuranbo বলে। জাপানে এই সাকুরা ফুল ফোটার সময়ে উৎসব এর বন্যা বয়ে যায়। সবাই সাকুরা ফুলে ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সাকুরা ফুল দেখা নিয়ে যে উৎসব হয় তাকে হানামি (hanami: 花見) বলে। জাপানে প্রায় ২০০ প্রজাতির চেরির চাষ হয়। এই ফুল ফোটার সময় হলো এপ্রিল মাস। এসময় সারা জাপান হালকা গোলাপী রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। হানামি উৎসবে কবি-গায়ক-সকল স্তরের মানুষ স্থানীয় কোন পার্ক/স্থান যেখানে চেরির গাছ থাকে সেখানে জড়ো হয়ে উৎসবে মেতে ওঠে। জাপানের ১০০ ইয়েনের মূদ্রায় এক পিঠে এই সাকুরার ফুল অংকিত আছে।


 এপ্রিল ২০১০এ আমাদের ল্যাব থেকে সকল ছাত্র ও প্রফেসররা গিয়েছিলাম স্থানীয় ফুজি মে দাই পার্কে এই হানামি উৎসবে। সেখানকারসহ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সাকুরা ফুলের অপরুপ রুপ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।


Share/Bookmark

প্রবাসের রান্নাঘরঃ আলু দিয়ে মুরগী ভূনা

উত্তরাঞ্চলের মানুষদের কাছে আলু খুবই জনপ্রিয়, বগুড়ার হওয়ায় আমিও এর ব্যতিক্রম নই। যেকোন ধরনের তরকারীতে আমরা আলু খেতে অভ্যস্ত। যদিও দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আলু মানেই শুধু মাংসের তরকারিতে। যাহোক, আজকের রেসিপিও মাংসের সাথে আলু, ফলে এই আইটেম সারা বাংলাদেশেই প্রযোজ্য।

 আজ আলু দিয়ে মুরগীর মাংস ভূনার রেসিপি, অবশ্যই আমার স্টাইলে। যা যা লাগবেঃ
১। মুরগীর মাংস (পরিমান মত)
২। আদা-রসূন পেষ্ট, মুরগীর মসল্লা, তেল, পেয়াজ (বেশি পরিমান)
৩। আলু।

Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১০

প্রবাসের রান্নাঘরঃ ডাল শুটকি

আমি দক্ষ না রান্নাতে, বেঁচে থাকার জন্য খেতে হয়, তাই রান্না করে খাচ্ছি। রান্না করতে গিয়ে কোন সচরাচর রেসিপি ফলো করি না, যেটা যেভাবে ইচ্ছা রান্না করি, এখন পর্যন্ত খারাপ লাগে নাই। বেশ কদিন ধরে মাথায় একটা রেসিপি ঘুরপাক করছিলো, তাই আজই সন্ধ্যায় রিক্স নিয়ে ফেললাম। সেটারই বিস্তারিত ব্যাখ্যা--



যা যা লাগবেঃ
ছোট মাছের শুটকি
বেশি পরিমান পেঁয়াজ
দরকারী মসলা
মসুর কালাই।


Share/Bookmark

বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০১০

প্রবাসের রান্নাঘরঃ সচিত্র সহজিয়া পদ্ধতিতে খিচুড়ী রান্না

খিচুড়ি খুবই জনপ্রিয় খাবার হলেও নানা জনের কাছে এর রয়েছে নানা ধরনের রেসিপি। কিন্তু সমস্যা আমরা যারা ছাত্র অবস্থায় একা একা দেশের বাহিরে পড়ে আছি তাদের নিয়ে। প্রফেশনাল রান্নার কায়দা কানুনের বালাই নাই আমাদের কাছে, পেটের পুজাটাই প্রধান। এরপরও যতটুকু সম্ভব রসনাময় করা খাবার যাতে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলা যায়। আমি সাধারনত খিচুড়ি-পোলাও-ভাত সবই রাইস কুকারে রান্না করি, আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিনেই মাথায় ভুত চাপলো চুলায় রান্না করি। যেইভাবা সেই কাজ। এরপর ভাবলাম দেই না ব্লগে শেয়ার করে, বস্তাপচা রান্না হয়ত আমার মত কারো কাজে লাগবে। আসুন শুরু করি রান্না।

Share/Bookmark

প্রবাসের রান্নাঘরঃ এগ ফ্রাইড রাইস বানানোর সহজিয়া তরিকা।

উপকরনঃ আতপ চাল, পেঁয়াজ, আদা-রসুন পেষ্ট, কাঁচা মরিচ, লবন, ডিম সোয়াবিন তেল আর অবশ্যই একটা রাইস কুকার।


প্রথম আপনার প্রয়োজনমত চাল ধুয়ে নিন (অবশ্যই রাইসকুকারের ধারন ক্ষমতার মধ্যে হতে হবে), পেঁয়াজ কুচি করে কাটুন, এরপর আদা-রসুন, পেষ্ট দরকারমত কাঁচা মরিচ সবকিছু নিয়ে চালসহ রাইসকুকার এর পাত্রে ঢেলে ভালো ভাবে নাড়ুন যাতে সুন্দরভাবে মিশিয়ে যায়। এরপর সোয়াবিন তেল ঢালুন এবং আবার নাড়িয়ে দিন। ইচ্ছা করলে কিছু মটরশুঁটিও দিতে পারেন। এবার যে পরিমান চাল রাইসকুকারে দিয়েছেন তার ১.৫~২গুন পানি দিয়ে রাইস কুকার চালু করে দিন। রাইস না হওয়া পর্যন্ত আর চিন্তা নাই।

Share/Bookmark

রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১০

প্রবাসের রান্নাঘরঃ সহজিয়া পদ্ধতিতে পুডিং বানানোর রেসিপি

সাপ্তাহিক ছুটি তার উপড় আবার রোজার দিন, আলসেমিতে পেয়ে বসেছিল। তাই ভাবলাম রান্নাবান্নায় সময় কাটাই। যেই ভাবা সেই কাজ। কিন্তু দরকারী একটা বাসনের অভাবে পরিকল্পনা প্রায় ভেস্তে যাইতেছিলো, পড়ে খাঁ খাঁ রোদে ক্যাম্পাসের পাশের শপিং মল থেকে নিয়ে আসলাম, কারন মাথায় যখন একবার এসেছে, সেটাকে কাজে পরিনত না করেও শান্তি পেতাম না। ভাবলাম পরে ব্লগে শেয়ার করবো, আবার ভাবলাম প্রথমবার চেষ্টা করছি কেমন না কেমন হয়, ক্যামেরা আর বের করতে ইচ্ছা করলো না, কিন্তু এখন আফসোস হচ্ছে প্রারম্ভিক ছবি না তোলার জন্য। যাহোক বিস্তারিততে আসি সহজিয়া পদ্ধতিতে কিভাবে পুডিং বানাবেন....ইহা ব্যাচেলর, বিবাহিত ব্যাচেলর থেকে শুরু করে আপামর জনতার কাজে লাগবে আশা করি

উপকরনঃ ৫টি ডিম, হাফ লিটার দুধ, এককাপ চিনি (অথবা পরিমান মত)। এছাড়া কিচমিচ/ঘী/পেস্তা-বাদাম ঐচ্ছিক।

Share/Bookmark

শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০১০

বদলে দিন গুগলের হোমপেজের ব্যাকগ্রাউন্ড

আমরা সবাই ব্রাউজিং করার সময় দরকারী অনেক কিছু খোঁজার জন্য বিভিন্ন সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করি। তবে গুগলই মনে হয় সবার ১ম পছন্দ হবে। কারন এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে, যার ফলশ্রুতিতে গুগল শব্দটি ক্রিয়াপদ হিসাবে ডিকশনারিতে স্থান পেয়েছে, যার অর্থ খোঁজা।

যাহোক আসল কথায় আসি, ব্যাপারটা গতকালই খেয়াল করলাম, কবে থেকে শুরু হয়েছে জানি না। গুগলের হোমপেজে (বাংলা গুগল এ এখনও এই সুবিধা আসে নাই) এখন নিজের পছন্দের ব্যাকগ্রাউন্ড ছবি ব্যবহার করতে পারবেন।

Share/Bookmark

সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০১০

হাহাকার সিরিজঃ ১

প্রবাসে আসার পর অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের নিজ দেশ থেকে প্রাপ্ত সুবিধাদি দেখে নিজের হাহাকার নিয়েই, এই হাহাকার সিরিজ।


আমাদের দেশে তেলের মাথায় আরো তেল দেয়া হয়। ফলে যারা উপড়ে থাকেন (উচ্চবিত্ত থেকে হাই ব্যাকিংওয়ালারা) তারা আরো উপড়ে  আর যারা নিম্নবিত্ত তারা আরো নিচে, আর যারা এই দুই এর মাঝামাঝি তারা না পারে ওপরে যেতে না পারে নিচে নামতে, অনেকটা ঝুলন্তময় অবস্থা। বলতেও পারে না সইতেও পারে না। আমাদের দেশে এমপিরা শুল্কমুক্ত গাড়ি আনার সুবিধা পান, আর অন্যদের ১০০% ট্যাক্স দিয়ে আনতে হয়। শুধু তাই না, ন্যাম ফ্লাটে থাকেন মাত্র ৬০০টাকার মাসিক ভাড়ায়। কি রাজ কপাল আমাদের জনপ্রতিনিধিদের। বিশ্বের কোন দেশের জনপ্রতিনিধিরা এতএত সুবিধা পান কিনা সন্দেহ আছে কিছুদিন আগেই ইউএস ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার স্পেনে অবকাশকালীন টাকা খরচ নিয়েও কথা উঠেছে, আর আমাদের দেশে...............???

যাহোক গাড়ি কেনার ট্যাক্সের প্রসঙ্গে আসি,  এমপিরা ব্যতিত সমাজের উপড়তলার মানুষ জনের জন্য এই ট্যাক্স কোন সমস্যাই না, হাতের ধুলা, এজন্য তারা পরিবারের প্রত্যেকের জন্য আলাদা গাড়ির ব্যবস্থা করতে পারেন। অথচ একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের হয়ত খুবই প্রয়োজন একটা গাড়ীর হয়ত বাসায় বৃদ্ধ বাবা-মা

Share/Bookmark

শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০১০

জাপানের ডায়েরীঃ ডেলিভারী সার্ভিস



জাপানিদের জীবন বেশ সাজানো গোছানো। বিশেষ করে রান্না নিয়ে এদের কোন মাথাব্যথা নাই! আমরা যতটা রান্না নিয়ে চিন্তিত এরা এমন না! এদের কথা হল, হোটেল/রেস্টুরেন্টের কাজ হলো রান্না করা, আর এদের কাজ হলো খাবার সময়ে ঐখানে গিয়ে খেয়ে আসা। অন্যদিকে আবার কোন কিছু ডেলিভারি আদান প্রদানের জন্য কিছু কুরিয়ার সার্ভিস আছে, খুবই উপকারি.......খাবার কোন জিনিসের অনলাইনে অর্ডার দিলেই হল, এরপর কুরিয়ার সার্ভিস আপনার দরজায় এসে দিয়ে যাব, তখন স্পটে ক্যাশ দিলেই

Share/Bookmark

জাপানের ডায়েরীঃ বাচ্চাদের সাথে স্কুলে

প্রথমেই ধন্যবাদ দেই, যে সকল ব্লগার আমার আহবানে সাড়া দিয়ে ছবি পাঠিয়েছেন। অসংখ্য ছবি পেয়েছিলাম, পরে বাছাই করতে গিয়ে হিমশিম! যাহোক অবশেষে ৩২টা ছবি সিলেক্ট করেছিলাম, ভাবছিলাম পরে আরো যোগ করব, কিন্তু আর সময় করে উঠতে পারি নাই! ফলে সবারই ছবি নিতে পারি নাই, এজন্য দুঃখিত! আমার ইচ্ছা ছিলো বাংলাদেশকে স্কুলের বাচ্ছাদের কাছে একটু হলেও ধারনা দেয়া, যা আমি করতে পেরেছি সামান্য কিছু ছবি দিয়ে, তবে ধন্যবাদ, আপনাদের এমন সহযোগীতা, আর ছবি দেবার জন্য! যা হোক আজকের বিবরন দেইঃ

Share/Bookmark

জাপানের ডায়েরীঃ পার্সিমন

আজ আপনাদেক জাপানীজ এক ফলের সাথে পরিচয় করে দেব! এর নাম পারসিমন। এটা মূলত চীনের ফল হলেও পরে এটা উত্তর-পূর্ব এশীয়দেশগুলিতে বিস্তার লাভ করে! পারসিমনের বেশ কিছু প্রজাতি আছে, এর মধ্যে কাকি পারসিমন/কাকি-ই জাপানে জন্মে। প্রজাতিভেদে এই পারসিমন হালকা হলুদ-কমলা থেকে লাল-কমলা রঙের হয়, আর ব্যাসার্ধ্য ১.৫-৯সেমি হয়। এটা বেশ স্বাদযুক্ত, নরম(অনেক সময় একটু আঁশযুক্ত) হয়। এতে প্রচুর পরিমান গ্লুকোজ বিদ্যমান, এছাড়া সুষম প্রোটিন প্রোফাইল রয়েছে। জাপানে প্রায় বাড়ির সামনেই পারসিমনের একটা করে গাছ আছে, কারন

Share/Bookmark

জাপানের ডায়েরীঃ আবারো সাইকেল

আবার সাইকেল প্রসঙ্গ! জাপানে গনহারে সাইকেল ব্যবহৃত হয়! ঢাকা শহরে যেমন রিক্সা জাপানেও তেমন অবস্থা ( অবশ্য মেইন রোডে না), বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাইকেল দেখলে ঢাকার রাস্তায় রিক্সার কথা মনে হয়! অবশ্য মোটরবাইকও চলে! নতুন আসার পর সাইকেল নিয়ে  জিনিসটা চোখে পড়ল, তা হল এদের সব সাইকেলগুলো আমাদের দেশীয় ভাষায় যেটা লেডিস সাইকেল বলে, এমন! মানে সামনে পা দিয়া সিটে চড়া যায়! আর একটা চোখে পড়ার মত, তা হল মায়েদের সাইকেলে করে বাচ্চাদেক নিয়ে চলাচল! অবশ্য এজন্য বিশেষ বেবি কেরিয়ার আছে, যেসব মা, বাচ্চাদেক সাইকেলে নিয়ে থাকেন! আমি এখন পর্যন্ত এক মহিলাকে ৩টা বাচ্চা নিয়ে সাইকেলে চড়তে দেখেছি! আর বাচ্চাগুলোও দেখলাম সাইকলে চুপ মেরে আছে, আমাদের দেশীয় বাচ্চাদের মত

Share/Bookmark

জাপানের ডায়েরীঃ সাইকেল

ছবিঃ জাপান-গাইড থেকে!


আগে থেকেই সাইকেল ভালোই চালাতে পারতাম! এইচ এস সি পর্যন্ত চালিয়েছি, এরপরে চালালেও তা ছিলো হঠাৎ করে! জাপানে এসে আবার এখন নিয়মিত সাইকেল চালনা শুরু করেছি! কারন নতুন বাসায় সকল আবাসিকের জন্য একটা করে সাইকেল ফ্রি ;) আমার সাথের এক ভাই, সবসময় বলে পুলিশ ধরে না কেন! যাহোক গত রবিবারে দুজনে ইচ্ছামত শহরে ঘুরলাম সাইকেলে...........আর রাস্তা কিছুটা ঢালু হওয়ায় প্যাডেল চালাতে হচ্ছিল কম, ভালোই লাগছিলো, কিন্ত ফেরার পথে পুলিশ মামুর সাথে মোলাকাত :| থামলাম, প্রথমেই শুরু করল নিহঙ্গ ওকে (জাপানিজ ওকে ), আমি বললামঃ ইংলিস ওকে! কারন আগেই সিনিয়ররা কাছে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলেছিলেন পুলিশের সাথে জাপানিজে কথা না বলাই ভালো, কারন তখন নাকি বেশি প্যাঁচায়! আর আমাদেরও

Share/Bookmark
^ Back to Top